হরিহর নগরের মাঠ কাঁপাল বায়োলিড!
হরিহর নগরের ধানখেতে জমজমাট মাঠ দিবস 🌾
১৪ এপ্রিল, ২০২৫। চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের হরিহর নগর গ্রাম যেন হঠাৎ করেই রূপ নিল এক খোলা কৃষি ক্লাসরুমে। কিন্তু এখানকার শিক্ষক ছিলেন জমি আর ধানগাছ, আর ছাত্র? আশেপাশের সব আগ্রহী কৃষক।
কেননা “বায়োলিড মাঠ দিবস”—এমন একটা দিন যেখানে চোখের সামনে দেখা গেল, কীভাবে মাটি বদলায়, গাছ বাঁচে আর ফলন বাড়ে… শুধুই বায়োলিডের ছোঁয়ায়।
🌿 কী দেখা গেল মাঠে?
যারা সেখানে ছিলেন, তারা জানেন—কোনও কথা নয়, সবকিছু চোখে দেখা।
ধানের জমিতে বায়োলিড ব্যবহার করে গাছের গোছা যে পরিমাণে বেড়েছে, তা দেখে অবাক না হয়ে উপায় ছিল না। শুধু যে পাতা ঘন হয়েছে তা নয়, মাটির রং, গন্ধ আর টেক্সচারও যেন নিজেই বলে উঠছিল—”আমার ভেতর এখন প্রাণ আছে!”





👥 কারা কারা ছিলেন?
এই বিশেষ দিনে মাঠে দেখা গেল চেনা-অচেনা অনেক মুখ—
- কে এম মনোয়ার হোসেন, ডিরেক্টর, সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং (পিআইএল)
- মোঃ ইয়াছিন আলি, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা (জীবননগর)
- স্থানীয় ডিলার জনাব জুলফিকার
- আর ছিলেন হরিহর নগরের প্রাণ, আমাদের কৃষক ভাইয়েরা।
তাঁরা সবাই একসাথে হেঁটেছেন জমির আইলে, তুলনা করেছেন গাছের গোছা, প্রশ্ন করেছেন—আর সবচেয়ে বড় কথা, উত্তর পেয়েছেন।
🌾 বায়োলিড: শুধু সার নয়, একখানা বিপ্লব
বায়োলিড নিয়ে যেসব কথাবার্তা চলেছে, তাতে এটা পরিষ্কার—
এই জিনিসটা শুধু জমিতে মিশিয়ে দিলেই এর কাজ শেষ নয়, বরং এটা মাটির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে।
মাটি শোধন করে, গাছকে রোগ থেকে রক্ষা করে, আর ফলনের দরজা খুলে দেয়।
একজন কৃষক তো এমনও বললেন,
“আগে গাছ এত গোছা ছাড়তো না। এখন দেখলে মনে হয়, প্রতিটা গাছই যেন বলছে—আমার মধ্যে অনেক কিছু আছে!”
🎯 শেষ কথা
এই মাঠ দিবস প্রমাণ করল—যখন বিজ্ঞান মাঠে নামে, তখন বদলে যায় ভবিষ্যৎ।
বায়োলিড শুধু একটা পণ্য নয়, এটা এক ধরনের আশ্বাস।
একটা আশ্বাস, যে আপনি যদি সঠিক সিদ্ধান্ত নেন, তবে প্রকৃতিও আপনাকে দেবে দ্বিগুণ পুরস্কার।